
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পদার্পন ট্যালেন্টেড ফাস্ট বোলারের শরিফুল ইসলামের। শ্রীলঙ্কায় সাদা জার্সিতেও অভিষেক করানো হয়েছে শরিফুলের। ছিলেন ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে দলের ভাবনাতেও। খুব বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি শরিফুলের। প্রথম ম্যাচে তাসকিন আশানুরূপ বোলিং না করায় সুযোগ হয়েছে এই বামহাতি ফাস্ট বোলারের।
ফলে ৩ ফরম্যাটেই অভিষেক হয়ে গেল তাঁর। যেটি বাংলাদেশের ১৩৬তম, বিশ্ব ক্রিকেটের ২৬৪৯তম ক্রিকেটার, এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ১৩১৩তম ফাস্ট বোলার হিসেবে ওয়ানডে অভিষেক হলো শরিফুল ইসলামের।
তাসকিন না থাকায় দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ খেলছে ২ জন বা-হাতি ফাস্ট বোলার নিয়ে। শরিফুলের পাশাপাশি একাদশে আছেন আরেক বা-হাতি ফাস্ট বোলার মুস্তাফিজুর রহমান। বা-হাতি ফাস্ট বোলার হিসেবে শরিফুলের একাদশে অন্তর্ভুক্তির মধ্যে দিয়ে ৩১ বছর পুরোনি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটালো বাংলাদেশ।
সর্বশেষ ১৯৯০ সালে চুড়ান্ত একাদশে দুইজন বা-হাতি ফাস্ট বোলার নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। সেদিন ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে খেলা দুই বা-হাতি ফাস্ট বোলার ছিলেন গোলাম নওশের এবং জাহাঙ্গির আলম তালুকদার।
টসে জিতে শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি বাংলাদেশের। সবাইকে অবাক করে মেঘলা কন্ডিশনে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ইনিংসের ২য় ওভারে দুশমন্থ চামিরার দ্রুতগতির ইন-সুইং বলে পরাস্থ হয়ে লেগ বিফোর আউট হয়ে ফিরেছেন তামিম (১৩)। যেটি বাংলাদেশের পক্ষে সবচেয়ে বেশি ১৮ বার এলবিডাব্লিউ-এ আউট হবার রেকর্ড।
একই ওভারে দলীয় ১৫ রানে ২ বল পরেই এলবিডাব্লিউ-এ শূন্যরানে আউট হয়েছেন সাকিব আল হাসান। যেটি সাকিবের ১৫তম এবং বাংলাদেশের পক্ষে চতুর্থ সর্বোচ্চ এলবিডাব্লিউ-এ আউট হবার রেকর্ড। এবং ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১১তম, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ২০তম ডাক সাকিব আল হাসানের।






