
রাজধানীর বাড্ডার মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনির সোনা চো’রাচালান, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ভূমি দখল ও ভ’য় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করে বিপুল অর্থসম্পদের মালিক হয়েছেন। তার এই অর্থের পেছনে ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততা পেয়েছে পু’লিশের অ’প’রাধ ত’দন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
পাঁচ মাস সরেজমিনে অনুসন্ধানের পর সিরাজগঞ্জ সদর উপজে’লা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক রিয়াজ উদ্দিন ছাড়াও বেশ কয়েকজন জ’ড়িত থাকার নাম পেয়েছে সিআইডি।
এই গোল্ডেন মনির দোকানের কর্মচারী থেকে অল্প সময়ে হাজার কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়া। তার বি’রুদ্ধে মুদ্রাপাচার প্রতিরোধ আইনে মা’মলা করেছে সিআইডি।
মা’মলায় মনিরের স্ত্রী’, বোন–ভগ্নিপতি এবং ছে’লে–মে’য়েদেরও আ’সামি করা হয়েছে। একইসঙ্গে গোল্ডেন মনিরকে অ’প’রাধমূলক কাজে সহযোগিতার অ’ভিযোগে সিরাজগঞ্জ সদর উপজে’লার চেয়ারম্যান ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজে’লা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক রিয়াজ উদ্দিনকে (৬৩) আ’সামি করা হয়েছে। এ ছাড়া রিয়াজ উদ্দিনের ভাই হায়দার আলী (৫৬), ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. শফিকুল ইস’লাম ওরফে শফিককেও (৫২) আ’সামি করা হয়েছে।
সিআইডির পরিদর্শক মো. ইব্রাহিম হোসেন মঙ্গলবার (১১ মে) বাদী হয়ে বাড্ডা থা’নায় মুদ্রাপাচার প্রতিরোধ আইনে এই মা’মলা দায়ের করেন। পাঁচ মাস সরেজমিনে অনুসন্ধান করে সিআইডি কর্মক’র্তা ইব্রাহিম এসব তথ্য পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
মা’মলায় বলা হয়েছে, অ’প’রাধলব্ধ আয় দিয়ে গোল্ডেন মনির নিজে ও তার স্ত্রী’সহ আত্মীয় স্বজনের নামে সরকারি ২০টি সহ ৩০টি প্লট, ১৫টি ভবন, একটি আবাসন প্রতিষ্ঠান এবং দুটি গাড়ির শো রুম করেছেন। ব্যাংকে ৭শ’ ৯১ কোটি টাকা জমা রয়েছে। সবই তিনি নানা অ’পকর্মের মাধ্যমে অর্জন করেছেন।
বাড্ডা থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) পারভেজ ইস’লাম বলেন, গোল্ডেন মনিরের বি’রুদ্ধে মা’মলা হয়েছে। মা’মলায় মোট ১০ জনকে আ’সামি করা হয়েছে। অ’পর আ’সামিরা হলেন– গোল্ডেন মনিরের সহযোগী আবদুল হামিদ (৬০), মনিরের স্ত্রী’ রওশন আক্তার, ছে’লে রাফি হোসেন, বোন নাসিমা আক্তার, নাসিমা’র স্বামী হাসান আলী খান, মনিরের আরেক ভগ্নিপতি নাহিদ হোসেন।
এজাহারে বলা হয়েছে, আ’সামিরা অ’প’রাধের মাধ্যমে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন। তারা এসব অর্জিত সম্পদ জ্ঞাতসারে গ্রহণ করে ভোগ দখল করছেন।
সিআইডির অর্গানাইজড ক্রা’ইমের বিশেষ পু’লিশ সুপার হু’মায়ুন কবির গণমাধ্যমকে বলেন, কারাগারে থাকা গোল্ডেন মনিরকে মুদ্রাপাচার প্রতিরোধ আইনের মা’মলায় গ্রে’প্তার দেখানো হবে। এজাহারভুক্ত বাকি আ’সামিদের গ্রে’প্তারের চেষ্টা চলছে।






