
শাড়ি পরার অ’নুভব সব মহিলার কাছেই আলা’দা একটা মাত্রা এনে দেয়। কম বেশি সবাই শাড়ি পরার সাথে সাথে রাজকীয় একটা ফিল নেন। কি তাই না? কিন্তু মাঝে মাঝে ভাবনায় বাধ সাধে শাড়ি পরার নানা স’মস্যা! যেমন হাঁটতে গেলেই শাড়ির নীচ মুড়ে যাওয়া বা ভাঁজ হয়ে যাওয়া। আসুন আজ আপনাদেরকে এই প’রিস্থিতি এড়ানোর একটি সমধান বলি।
প্রথমে ভালো করে প্রত্যেকটি স্টেপ বুঝে নিন।
১. শাড়ি বাঁধুন প্রথমেঃ শাড়িটি বাঁধতে শুরু করার প্রথম স্টেপে শাড়িটি ভি’তরের কোণ থেকে ধ’রে আপনার কোমরে জড়িয়ে নিন। এভাবে পুরোপুরি কোমরে জড়িয়ে রাখার সময় শাড়িটি সামনে আনুন। সত’র্কতা হিসাবে, একটি পিন রাখু’ন যেটা দিয়ে আপনি শাড়িটি মুড়ে রাখতে পারেন। এরফলে শাড়িটি কোনও সময় পে’টিকোট থেকে বেরিয়ে যাবে না।
২. শাড়ির প্লিটস বানিয়ে নিনঃ যতটা লম্বা আঁচল রাখতে চান তার জন্য কাপড় রেখে তা আপনার কাঁধে পিন দিয়ে আ’টকে নিন। এর পরে শাড়ি সামান্য সামনে আনার সময় শাড়ির উপরের সীমানাটি ধ’রুন।
একে একে কুচি বা প্লিট করা শুরু করুন। সমস্ত প্লিট তৈরির পরে, একবার হাতে এডজাস্ট করুন। এই প্লেটগু’লি সাইড থেকে এনে একটি ছোট পিন দিয়ে আ’টকে নিন। এখন এই প্লিটগু’লি দুটি হাত দিয়ে ধ’রে পে’টিকোটের অভ্যন্তরে গুঁজে নিন ভালো করে।
৩. আঁচল ঠিক করুন এবারঃ কাঁধে আঁচলের জন্য যে কাপড়টি রেখে ছিলেন সেটি পছন্দ মত করে ওপেন আঁচল স্টাইলে রাখতে পারেন বা প্লিটেড করে পিন দিয়ে আ’টকে নিতে পারেন।
৪. পিছনে হওয়া ভাঁজ ঠিক করুন: পিছনে শাড়ি যদি ঠিক ভাবে সেট না হয় তাহলে তা পায়ে জড়িয়ে গিয়ে পরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই এটি যাতে না হয় তার জন্য কি কি করবেন দেখে নিন।
১) স’মস্যা সমাধানের জন্য একটি ডাবল টেপ রোল এবং কাঁচি নিন।
২) এবার এই ডাবল টেপটি শাড়ির পিছনে পাশের অন্য প্রান্তের দৈর্ঘ্যের সমান করে কে’টে নিন।
৩) আপনার পে’টিকোটে এই কাটা ডাবল টেপটি এবার এমনভাবে লা’গিয়ে নিন যাতে এটির অন্য প্রান্তটি আপনার শাড়ির সাথে লে’গে থাকে।
ডবল টেপের সাথে শাড়ির নীচে মুড়ে দিলে আর হাঁটার সময় শাড়ি উঠে যাবে না বা ভাঁজ পরবে না। স’মস্যার সমাধান বলে দিলাম এবার খুশি মনে স্টাইল করে শাড়ি পরুন যখন ইচ্ছে।






