
সৌদি আরবের নারীরা আরও স্বাধীনতা পেলো সরকারের কাছ থেকে। এখন থেকে দেশটির অবিবাহিত, তালাকপ্রাপ্ত বা বিধবা নারীরা তাদের পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া একা বসবাস করতে পারবে। দেশটির বিচারিক কর্তৃপক্ষ, এ সংক্রান্ত আইন সংশোধন করেছে। এই সংশোধনীর ফলে যেকোনো নারী একা থাকতে পারবে। খবর গালফ নিউজের। সংশোধনী ওই আইনে বলা হয়, একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী কোথায় থাকবেন সেটা নির্ধারণ করার অধিকার তার রয়েছে।
যদি কোনো নারী কোনো অপরাধ করে কেবল তখনই তার অভিভাবক এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে পারবে। এমনকি যদি কোনও নারীর কারাদণ্ড হয়, তবে সাজার মেয়াদ শেষে তাকে তার অভিভাবকের কাছে ন্যস্ত করার কোনো বিধান থাকছে না। নতুন এই নিয়ম প্রসঙ্গে সৌদি আইনজীবী নায়েফ আল-মানসি জানান, যদি কারও মেয়ে একা থাকতে চায়, সেক্ষেত্রে তার পরিবার এখন থেকে আর মামলা করতে পারবে না।
অবিবাহিত, তালাকপ্রাপ্ত বা বিধবা নারীরা এই সুযোগ পাবে। ২০২০ সালের জুলাই মাসে সৌদি লেখিকা মারিয়াম আল-ওতাইবি তিন বছর আগে বাবা ও ভাইদের অত্যাচার এড়াতে তার পরিবার ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তিনি তার বাবা এবং ভাইদের দ্বারা নির্যাতনের অভিযোগে স্থান পরিবর্তন করেছিলেন।
তার বাবার দায়ের করা সেই মামলায় মেয়েটির পক্ষেই রায় দেওয়া হয়। নতুন এই নিয়ম প্রসঙ্গে সৌদি আইনজীবী নায়েফ আল-মানসি জানান, ‘যদি কারও মেয়ে একা থাকতে চায়, সেক্ষেত্রে তার পরিবার এখন থেকে আর মামলা করতে পারবে না। অবিবাহিত, তালাকপ্রাপ্ত বা বিধবা নারীরা এই সুযোগ পাবে।’ সংশোধনী আইনটিতে আরও বলা হয়, ‘একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী কোথায় থাকবেন সেটা নির্ধারণ করার অধিকার তার রয়েছে।
=






