প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

পরীমনির ঘটনা দেখে মনে হচ্ছে কোথাও কারো মধ্যে ঘাপলা আছে

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

শুধু পরীমনি কেন, যেকোনো নারী যদি অ’নৈতিকতার শিকার হয় অবশ্যই এর সুষ্ঠু বিচার চাই। কিন্তু ঘটনা প্রবাহ দেখে মনে হচ্ছে এখানে কোথাও কারো মধ্যে কোনো ঘাপলা আছে। গড্ডলিকা প্রবাহে গা না ভাসিয়ে, কারো চরিত্র হনন না করে আসল ঘটনা খুঁজে বের করা দরকার। ঘাপলাটা কোথায় এবং করলো কে।

নাসির উদ্দিন মাহমুদের কিংবা পরিমনির চরিত্রের সার্টিফিকেট দেয়া নেয়া আমা’র কাজ না। আম’রা যদি এই দুইজনের আশেপাশের সহকর্মীদের কাছে ওদের অ’তীত রেকর্ড স’ম্পর্কে একটু খোঁজ খবর নেই তাহলে তাদের চারিত্রিক গুণাবলী স’ম্পর্কে অনেক ধারণা পাওয়া যাবে। কে কোন মহলের বাসিন্দা। কার অ’তীত ইতিহাস কি বলে। আমজনতা না পারলেও সাংবাদিকদের জন্য খোঁজ খবর নেয়া খুব সহ’জ কাজ।

একটি গোষ্ঠী নাসির উদ্দিন মাহমুদের বন্ধু হিসাবে পৃথিবীতে একজনকেই পেলেন, তিনি হলেন পু’লিশের আইজিপি বেনজির আহমেদ।আরে ভাই, কারো সাথে ছবি থাকতেই পারে, বন্ধু হতেই পারে, আরও অনেকেরই ছবি থাকবে – এর মানে কি বেনজির সাহেব ওনাকে বলে দিয়েছেন নায়িকার সাথে খা’রাপ ব্যবহার করার জন্য? নাসির মাহমুদ প্রায় ত্রিশ বছর সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ সাহেবের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। এই লোকের সাথে দেশের অনেক বিখ্যাত মানুষেরই দেখলাম ছবি আছে। তাহলে কি সবাই দায়ী।

পত্রিকার সংবাদ দেখে দুইটা বিষয় আমা’র কাছে এখনো খট’কা লাগছে। প্রথমত: যেখানে যাচ্ছিলেন, বন্ধুর সেই অ’সুস্থ মা’কে দেখতে না গিয়ে আরেকজনের কথায় পরিমনি কেন মধ্যরাতে আশুলিয়াতে বোট ক্লাবে গেলেন? যদিও যাওয়া কোন অ’প’রাধ না। আর নাসির মাহমুদ এতবড় অ’ভিযোগের পরও কেন এখনো চুপচাপ আছেন। কেন তিনি কথা বলছেন না? আর এই সুযোগে হুজুগে জাতি বেনজির আহমেদের চরিত্র হনন করেই যাচ্ছে।

তবে, পরিমনি অনেক ভাগ্যবতী, দেশের আইজিপির সাথে সরাসরি ফোনে কথা বলার সুযোগ ওনার রয়েছে।