প্রচ্ছদ Countrywide

বাংলাদেশের পোশাক খাতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি করা নিয়ে ভিন্ন এক তথ্য দিলো চীনের রাষ্ট্রদূত

6

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বিশেষ বাহিনী র‍্যাবের ওপর এবং কয়েকজন ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর সেটা নিয়ে কোনো নমনীয়তা দেখায়নি। তবে সরকারের পক্ষ থেকে র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলেও সেটা কোনো ফলপ্রসূতা পায়নি। এবার বাংলাদেশে সর্বাধিক রপ্তানি আয়ের খাত ‘তৈরি পোশাক খাত’ নিয়ে ভিন্ন এক তথ্য দিলেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের ক্ষতি করতে পারে বলে আশ”ঙ্কা করছেন চীনের রাষ্ট্রদূত। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফে”সবুকে এক বার্তায় তিনি বাংলাদেশের জনগণকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূত লি জিমিং চীনা দূতাবাসের ফে”সবুক পেজে “রাষ্ট্রদূতের সাথে এক মিনিট” শিরোনামে একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আনা তথাকথিত “জিনজিয়াংয়ে জোরপূর্বক শ্রম” এর অভিযোগের জবাবে, বাংলাদেশের একটি নির্দিষ্ট পোশাক শিল্প সংস্থা সম্প্রতি তাদের সদস্যদের চীন থেকে তুলা আমদানিতে জড়িত ঝুঁ”কি সম্পর্কে সতর্ক করেছে।

বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। আমি আরও লক্ষ্য করেছি যে সতর্ক বার্তাটি জারি করা হয়েছে সংগঠনটির সঙ্গে কিছু মার্কিন সংস্থার অধিভুক্ত ‘ইন্দো-প্যাসিফিক সুযোগ প্রকল্পের’ দুই প্রতিনিধির একটি বৈঠকের পর।’ চীনা রাষ্ট্রদূত বলেছেন যে, তথাকথিত “জিনজিয়াংয়ে জোরপূর্বক শ্রম” এর অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।’

রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেন, গুয়াংজুতে দুই প্রাক্তন মার্কিন কূটনীতিক ২০২১ সালে স্বীকারোক্তি দিয়ে বলেছিলেন যে, জিনজিয়াংয়ে কোনো সমস্যা নেই। তবে জিনজিয়াংকে আন্তর্জাতিক শিল্প ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করার এবং উ/’ইঘু”রদের অসন্তোষ ও অস্থিরতায় উ”স্কে দেওয়ার এবং চীনা সরকারের বিরুদ্ধে যু”দ্ধ চালানোর একটি কার্যকর উপায় হলো তাদের মানবাধিকার নীতিকে আক্র”মণ করা।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, “অবশ্যই, ওয়াশিংটন জিনজিয়াং সম্পর্কে চীনকে কলঙ্কি”ত ও অপমান করতে মিথ্যা বলছে।” তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য চীনকে নিয়ন্ত্রণ করা। ‘

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগ যদি এখনই সতর্ক না হয় তাহলে এই ধরনের মিথ্যাচার বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ আয়ের এই পোশাক শিল্পেরও ব্যাপক ক্ষতিসাধান করতে পারে।’ তিনি আরো যোগ করে বলেন, ‘ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে উল্লেখযোগ্য হারে এগিয়ে যাচ্ছে যেটার কারনে বাংলাদেশের ওপর নজর বাড়াবে বহির্বিশ্ব এবং অনেক দেশ এই দেশটির সাথে সুসম্পর্কে থাকা দেশগুলো কোনটি সেটিও লক্ষ্য করবে।