প্রচ্ছদ চর্মরোগ

ঘাম ও ঘামাচি থেকে চর্মরোগ ও তার প্রতিকার

261
ঘাম ও ঘামাচি থেকে চর্মরোগ ও তার প্রতিকার

সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়, ফলে ঘাম শরীর থেকে বের হতে না পেরে ত্বকে চুলকানিসহ ঘামাচি হতে পারে। অনেক সময় অতিরিক্ত ঘামের কারণে ত্বকে ছত্রাক সংক্রমণ বা দাদ হওয়ার আশংকা থাকে।

যারা টেট্রাসাইক্লিন, ওয়াটার পিল বা ডাইইউরেটিক্স ও ডায়াবেটিসের জন্য বড়ি খান তাদের ত্বক সূর্যালোকের সংস্পর্শে সানবার্ন হতে পারে। গরমে ত্বকে ছত্রাক বা ফাঙ্গাস জন্মানোর জন্য ছুলিও হতে পারে। জেনে রাখবেন-

-শুষ্ক ত্বকে চিকিৎসকের পরামর্শে অয়েল ফ্রি ময়েশ্চরাইজার ব্যবহার করা যায়। তা না হলে মুখে ও দেহের ত্বকে ধুলো-ময়লা, ঘাম জমে লোপকূপ বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে শরীর গরম হয়ে যাবে এবং মুখে ব্রণ দেখা দিতে পারে।

-সানবার্ণ বা সান অ্যালার্জি থেকে সুরক্ষা পেতে রোদে যাওয়ার ৩০ মিনিট পূর্বে ত্বকের ধরন বুঝে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা প্রয়োজন।

– ভেজা শরীর ফাঙ্গাস জন্মানোর উর্বর জায়গা। শিশু, বয়স্ক, ডায়াবেটিস রোগী এবং দীর্ঘদিন ধরে যারা কোনো অসুখের জন্য ওষুধ খাচ্ছেন তাদের এ সময়ে ঘাম থেকে দাদ হতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শে মুখে খাওয়ার ওষুধ বা এন্টি ফাঙ্গাল মলম লাগানো লাগতে পারে।

-বুক, গলার দু’পাশে, ঘাড়ের পেছনে, পিটের ওপরের অংশে, বগলের নিচে হালকা বাদামি বা সাদা গোলাকৃতিক দাগ দেখা দিতে পারে। সাধারণ ভাষায় একে ছুলি বলে। অনেকে একে শ্বেতি, লেপ্রসি বা টিনিয়া বলে ভুল করেন।

-ঘামাচি হলে ক্যালামিন লোশন বা প্রিকলি হিট পাউডার ব্যবহার করা যায়।