প্রচ্ছদ জেনে রাখুন

*কুকুর কামড়ালে প্রাথমিক ভাবে করণীয়*

31
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

*কুকু’রের কামড় খাও’য়ার মত দুর্ঘ’টনা যে কারো সাথেই ঘ’টতে পারে। কুকু’রের কামড় থেকেই জলা’তঙ্ক রোগের সৃষ্টি। রেবিস নামক ভাই’রাসের কারণে স্নায়ু’জনিত রোগ জলা’তঙ্ক হয়। তবে সব কুকুরে কামড়া’লেই জলা’তঙ্ক রোগ হয় না। কিন্তু জলা’তঙ্ক রো’গের ভয়াভহ’তার কা’রণে যে’কোন কুকু’রের কামড়’কে অনেক বিপদ’জনক হিসাবে ভাবা হয়।*

*কুকুর কাম’ড়ালে রেবিস ভাই’রাস কুকু’রের লালা থেকে ক্ষত’স্থানে লেগে যায়, আর ক্ষত’স্থান থেকে স্নায়ু’তে ভাই’রাস পৌঁছে জলা’তঙ্ক রো’গের সৃষ্টি করে। জলা’তঙ্ক হলে মস্তি’ষ্কে প্র’দাহ এবং এর সাথে খাদ্য’নালী তীব্র সং’কোচন হয়। এমন রোগী কোন কিছুর শব্দ বা আলো সহ্য করতে পারে না। কুকুর কাম’ড়ালে সাথে সাথেই প্রাথমিক’ভাবে কিছু পদ’ক্ষেপ নিলে স’মস্যা মারা’ত্মক আকার ধা’রণ করা থেকে প্রতি’রোধ করা স’ম্ভব।*

*ক্ষত পরি’ষ্কার করুন; একটি পরি’ষ্কার তোয়ালে দিয়ে ক্ষতের স্থান’টি চেপে ধরুন। তার’পর কুকু’রের কামড় দে’ওয়া স্থা’নে বেশি করে পরি’ষ্কার পানি বা সাবান পানি দিয়ে ভালো’ভাবে পরি’ষ্কার করুন। অ্যান্টি’ব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যব’হার করা ভাল। এতে ক্ষতি’কর ভাই’রাস ক্ষত স্থানে লেগে থাকলে তা ন’ষ্ট হয়ে যাবে। তবে ক্ষত পরি’ষ্কার করার স’ময় খুব বেশি ঘষা’ঘষি করবেন না।*

*রক্ত বন্ধ করুন; ক্ষ’তস্থান থেকে রক্ত পরা ব’ন্ধ করতে হবে, সেই জন্যে ক্ষত স্থা’নে চাপ দিয়ে কিছু’ক্ষণ ধরে রাখুন। এতে রক্ত পরা ব’ন্ধ হয়ে যাবে। ব্যান্ডেজ; ক্ষতস্থান’টিতে অ্যান্টি’বায়েটিক ক্রিম বা অয়েন্’টমেন্ট লাগিয়ে নিন। তার’পর একটি গজ কা’পড় দিয়ে ভাল করে ব্যা’ন্ডেজ করে ফেলুন। ক্ষত স্থা’ন খোলা থাকলে এতে বি’ভিন্ন রোগ জীবাণু প্র’বেশ করতে পারে।*

*ডাক্তা’রের কাছে যাওয়া; প্রাথ’মিক চিকিৎ’সার পর যত দ্রুত স’ম্ভব ডাক্তা’রের কাছে যেতে হবে। জিরো আওয়ার মানে যত দ্রুত স’ম্ভব টিকা দিতে হবে। যত দ্রুত টিকা দেওয়া হবে ততই ঝুঁকি’মুক্ত থাকা যাবে। দেখা গেছে অ’সচেতনতাই জলাতংক ছড়া’নোর জন্য অনে’কাংশে দায়ী। চিকিৎ’সকের পরা’মর্শ নিয়ে র‍্যাবিস ভ্যাক’সিন দিন। কুকুর কাম’ড়ের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই ইন’জেকশন দেওয়া উচিত।*

*স’তর্কতা; কুকু’রের কামড়ে অনেক সময় রোগী মানসিক’ভাবে ভেঙ্গে পড়েন। তার ভীতি দূর করতে হবে। তেমন কিছুই হবে’না সে আবার সু’স্থ হয়ে যাবে এই’ভাবে বলে তাকে আ’স্থা প্র’দান করতে হবে। প্রাথ’মিক চিকিৎসা দেও’য়ার পর অব্য’শই রোগীকে ডা’ক্তার কাছে নিয়ে যেতে হবে।*

  • 2
    Shares
Loading...