*কম পানি পান করলে যে সমস্যাগুলো হতে পারে*

পড়া যাবে: 2 মিনিটে

*পানি শুধুই কি তৃ’ষ্ণার মেটায়? পানি দেহের একটি আব’শ্যিক প্রাণ’রক্ষাকারী উপা’দান।  আমা’দের শরীরে প্রায় দুই তৃতীয়াংশ’ই (৭০%) পানি। তাই সুস্থ’ভাবে বেঁচে থাকার জন্য পা’নির কো’নরূপ বি’কল্প নেই। আমা’দের দেহে প্রয়ো’জনীয় পানির শত’করা ২০ শ’তাংশ আসে খাবার থেকে, বাকি চাহিদা পূর’নের জন্য পানি পান করতে হয়। কিন্তু পানি ঠিক কত’টুকু পান করা উ’চিত অথবা কখন পান করা উচিত এ বিষয়ে অনেক কেই দ্বি’ধান্বিত হতে দেখা যায়।*

*কেন পানি পান কর’বোঃ পানি আমা’দের দেহের ইলেক্ট্’রোলাইটিক ভারসাম্য বজায় রেখে দেহের কার্যা’বলী সুষ্ঠু’ভাবে পরিচালনা করে। মানু’ষের মস্তি’ষ্কের ৯৫ শ’তাংশই পানি এবং আমারা যে পানি পান করি তার প্রায় ৪০ শতাংশ ই ম’স্তিষ্ক ব্যব’হার করে। পানি দেহের হজম প্র’ক্রিয়া দ্রুত করে এবং ওজন কমা’তে সাহায্য করে। পানি শরী’রের বি’ষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। পরি’মিত পরি’মানে পানি পান করলে ত্বক সু’ন্দর থাকে।*

*কম পানি পান করলে যে সমস্যা’গুলো হতে পারেঃ কম পানি পানে ডি’হাইড্রেশন হতে পারে। শরীরে পানির পরিমান দুই শতাংশ কমে গেলে ডি’হাইড্রেশন হতে পারে। মাথা ঝিম ঝিম করে এবং ভোঁতা ব্যাথা হতে পারে। জয়েন্টে ব্যাথা এবং পেশি’তে টান পরতে পারে। হার্ট বিট বেড়ে যেতে পারে। দুর্ব’লতা, মাথা ঘোরা, অবসাদ’গ্রস্থ  হতে পারে। মুখের ভিতরে লালা শু’কিয়ে যেতে পারে,মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। বদ’হজম, কোষ্ঠ’কাঠিন্য সহ পাক’স্থলির অন্যান্য সমস্যা হতে পারে।*

আরও পড়ুন:  যে ৫টি কারণে প্রতিদিন খাওয়া উচিত টমেটো

*স্বল্প সম’য়ের জন্য স্মৃতি’শক্তি লোপ,সহজ অংক কোষতে স’মস্যা, ছোট লেখা দেখতে স’মস্যা, মোবা’ইল বা কম্পি’উটার স্ক্রিন ঝাপসা দেখা ডি’হাইড্রেশন এর লক্ষণ। অতি’রিক্ত চা কফি পান শরীরে পা’নির চাহিদা বাড়িয়ে দেয় যা ডি’হাইড্রেশন এর কা’রণ। আবার অতি’মাত্রায় চিনি গ্রহ’নের কারনেও ডি’হাইড্রেশন হতে পারে। চাহি’দার তুল’নায় কম পানি পান করলে না’নান ক্ষতি হতে পারে।*

*যেমন কিডনি’জনিত জটি’লতা, ডি’হাইড্রেশন, উচ্চ’রক্ত চাপ, ওজন বৃদ্ধি, কোষ্ট’কাঠিন্য,প্র’স্রাবে জ্বালা পোড়া, শ্বাস’যন্ত্রের জটিলতা ই’ত্যাদি দেখা যায়। আবার প্রয়ো’জন এর অধিক পানি গ্র’হণ বি’ভিন্ন স্বাস্থ্য’গত সমস্যার জন্ম দেয়। অতি’রিক্ত পানি পানের কারনে কি’ডনি, লিভার ও হার্ট এর ক্ষতি হতে পারে। তাই নি’য়ম মেনে পানি পান করা উ’চিত।*

*কত’টুকু পানি পান করবোঃ একজন প্রাপ্ত’বয়স্ক নারী বা পুরু’ষের সাধা’রণত দিনে অন্তত’পক্ষে ৮ গ্লা’স পানি পান করা উচিত। তবে এটি অনেক ক্ষেত্রে শারী’রিক অ’বস্থা এবং তাপ’মাত্রার উ’পর নির্ভর করে। যারা শারী’রিক শ্রম বে’শী করেন তাদের বে’শী পানি পান করতে হবে। এ’ছাড়া যারা বে’শী ঘামেন তাদের বেশী পানি পান করা উচিত। তবে কিডনি রোগী’দের অনেকের শ’রীরে যদি গায়ে পানি আসে(ইডিমা)হলে, ডাক্তা’রের পরা’মর্শে পানি মেপে পান করতে হয়।*

আরও পড়ুন:  ৭টি শারীরিক সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন একটি আমলকী খান

*কখন পানি পান করতে হবেঃ এ বিষয়ে প্রশ্ন করতে দেখা যায় অনেক কেই। অনে’কেই বলে থাকেন খালি পেটে পানি পান করা উচিত। এ বিষয়ে সু’নির্দিষ্ট কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়’নি। তবে যখন তৃষ্ণা পাবে তখন পানি পান করে পা’নির ঘা’টতি পূ’রন করে ফেলা উচিত। শরী’রের আদ্রতা ঠিক রা’খার জন্য ঘন ঘন পানি পান করা উ’চিত। ফলের জুস বা লেবু পানি পান করা যেতে পারে।*

*ফল ও সব’জিতে প্র’চুর পরি’মান পানি থাকে। দৈন’ন্দিন খাদ্য তালি’কায় ফল ও সব’জির অন্তর্ভুক্তি আমা’দের দেহের পানির চাহিদা পূ’রনে সাহায্য করতে পারে। তরমুজ, স্ট্রবেরী, পেপে, আনা’রস, কমলা’লেবু, শসা, পালঙ’শাক এ প্র’চুর পরি’মান পানি থাকে। এই’সব ফল ও সবজিতে গড়ে ৮০-৯০ ভাগ পানি থাকে । তবে লক্ষ্য রাখতে হবে তৃষ্ণা মিটা’নোর জন্য পা’নির বদলে অন্য কোন কোমল পা’নীয় ব্যব’হার যাতে না করা হয়।*

*পরি’মিত পরি’মানে পানি পান আমা’দের সুস্থ জীবন’ধারা দিতে পারে যার ফলে বি’ভিন্ন অ’সুখ থেকে রে’হাই পা’ওয়া যায়। সুত’রাং দৈ’নিক চাহিদা অনু’যায়ী পানি পানের সু অ’ভ্যাস গড়ে তোলা উচিত ।*

বাংলা হেলথ কেয়ার /এসপি

  • 6
    Shares